সাত কলেজ হতে পারে ব্যতিক্রমধর্মী ইউরোপীয় শৈলীর বিশ্ববিদ্যালয়। গঠনকাঠামোর দিক থেকে অক্সফোর্ড অথবা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের মত। আমরা জানি, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কলকাতা শহর ও শহরের বাইরে সর্বমোট ১৪ টি ক্যাম্পাস নিয়ে গঠিত। যার প্রধান ক্যাম্পাস কলকাতার কলেজ স্ট্রিটে অবস্থিত( আশুতোষশিক্ষাপ্রাঙ্গণ)। অন্য ক্যাম্পাসগুলো রাজাবাজার (রাসবিহারী ক্যাম্পাস),বালিগঞ্জ (তারকনাথ ক্যাম্পাস),আলিপুর (শহীদ ক্ষুদিরাম ক্যাম্পাস), বিধাননগর (আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় ক্যাম্পাস), হাজরা ও দক্ষিণ সিঁথিতে অবস্থিত।

অন্যদিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ও প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের একটি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। পৃথিবীসেরা ট্রিনিটি কলেজ, হার্টফোর্ড কলেজ (১২৮২),ক্রাইস্ট চার্চ (১৫৪৬),ওরচেষ্টার কলেজগুলোর মত ৩৯টি কলেজের সমন্বয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি গঠিত। বিশ্ববিদ্যালয়টির কোনো কেন্দ্রীয় ক্যাম্পাস নেই।

অক্সফোর্ডের একজন ছাত্রকে অবশ্যই ৩৯ টি কলেজের একটিতে যুক্ত থাকতে হবে। প্রতিটি কলেজে সাধারনত একটি ডাইনিং হল, একটি ইবাদতখানা, লাইব্রেরি, আবাসিক সুবিধা ছাড়াও কলেজগুলোতে ছাত্রদের ক্লাস নেয়া হয়। শুধু তা-ই নয় এদের প্রতিটি  কলেজ স্বতন্ত্রভাবে পরিচালিত হয়।

তবে পরীক্ষা, গবেষণাগার এবং কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরিচালনা করে। 

ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সাত কলেজের সমন্বয়ে বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার প্রসঙ্গ তুললেই অনেকের নাক ছিটকানি শুরু হয়। তাদের আপত্তি, এভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সাতটি প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় গড়া কস্মিনকালেও সম্ভব নয়। তাদের এমন আপত্তির সমাধানে উপরের দুটি উদাহরণই যথেষ্ট। 

উপরোল্লিখিত দুটো বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো একটির গঠনতন্ত্র অনুসরণ করে সাত কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় গড়া সম্ভব। তবে তুলনামূলক বিবেচনায় অক্সফোর্ডের গঠনতন্ত্র অনুসরণ করা উত্তম হবে। কেননা, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের গঠনতন্ত্র অনুসরণ করলে সাত প্রতিষ্ঠানের কলেজ ব্যবস্থা ও ইতিহাস ঐতিহ্য বিলুপ্ত হবে। যেমন, ঢাকা কলেজের এইচএসসি'র জন্য আলাদা একটি খ্যাতি আছে। পাশাপাশি এটি বাংলাদেশের ঐতিহ্যমন্ডিত প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। 

এক্ষেত্রে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের মডেল অনুসৃত হলে শতবছরের ঢাকা কলেজ বিলুপ্ত হবে। তাছাড়া প্রতিটি কলেজই বাংলাদেশের ঐতিহ্যবহন করে। প্রতিষ্ঠানগুলোর বিলুপ্তি কাম্য নয়। কিন্তু, অক্সফোর্ডের গঠনতন্ত্র অনুসরণ করলে  প্রতিটি কলেজ তার আগের অবস্থানে থাকবে। শুধু পাবে অক্সফোর্ডের মত স্বতন্ত্র একটি প্রশাসন যা সাতটি কলেজের সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করবে। এক্ষেত্রে প্রতিটি কলেজ নিজস্ব ঐতিহ্য ধরে রাখতে সক্ষম হবে।

অনেকে বলে, কোনো কোনো কলেজে এইচএসসি পাঠাদান কার্যক্রম চলমান থাকার কারণে পূর্নাঙ্গ মান প্রাপ্তির যোগ্যতা রাখেনা। সাত কলেজের অনেক শিক্ষার্থীর মুখেই এই বাজে কথাটি বার বার উচ্চারিত হয়। স্বস্তির কথা হচ্ছে, অক্সফোর্ডের আদলে উক্ত কলেজ সমূহ পুর্ণাঙ্গ মান পেলে বিশ্ববিদ্যালয় কার্যক্রমের পাশাপাশি কোনো কলেজ চাইলে কিছু সংখ্যক বিসিএস ক্যাডার নিয়োগ দিয়ে এইচএসসি কার্যক্রম চালিয়ে নিতে পারে। 

এখন প্রশ্ন হল, সাত কলেজের বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার প্রয়োজন কেন?

অনেকগুলো কারন আছে সাত কলেজের বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার । তন্মধ্যে মূখ্য কয়েকটি কারণ উল্লেখ করছি।

পরিচয় সংকট বা আইডেন্টিটি ক্রাইসিসঃ

একটি বিশ্ববিদ্যালয় মানেই একাধিক বিভাগ, ইন্সটিটিউট, উপাদানকল্প ও অধিভূক্ত কলেজ থাকবে। এক্ষেত্রে কোনো স্টুডেন্ট  উক্ত শাখাসমূহের যেকোনো একটিতে যুক্ত থাকলেই সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বলে গণ্য হবে। তার মূল পরিচয় হবে সেই বিশ্ববিদ্যালয়। ২৬ আগস্ট ২০১৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রত্ব নিয়ে প্রথম আলো পত্রিকা একটি আর্টিকেল প্রচার করে। সেখানে বলা হয়েছে, "ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল পাঁচ ধরনের শাখা প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে। এগুলো হল- বিভাগ, ইন্সটিটিউট,  উপাদানকল্প,  অধিভূক্ত, কেন্দ্র(সেন্টার)। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তারাই যারা উক্ত পাচঁটি শাখার যে কোনো একটির সাথে যুক্ত"।

কিন্তু ঢাবি উপাচার্য আখতারুজ্জামান একটি ফেইজবুক লাইভ শো'র মাধ্যমে অধিভুক্ত ৭ গুচ্ছ প্রতিষ্ঠান  শাখার শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় ব্যবহারের বিষয়টি অস্বীকার করেন। এরপর থেকেই শুরু হয় সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের পরিচয় সংকট।

অন্যদিকে, ঢাকা কলেজ, তিতুমীর ও ইডেন কলেজের মান বাংলাদেশের প্রথম সারীর কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতীত অনেক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে  এগিয়ে। সময় এসেছে এগুলোর পূর্ণাঙ্গ মান প্রতিষ্ঠা করার ।

ক্রমবর্ধমান শোষণ-বৈষম্যঃ

অধিভূক্তির পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় -কেন্দ্র ও অধিভুক্ত এর মাঝে শিক্ষার মানের সমন্বয় করতে ব্যর্থ। একই বিশ্ববিদ্যালয় অথচ কেন্দ্র ও অধিভুক্তের শিক্ষার মান আকাশ পাতাল পার্থক্য। প্রতিনিয়ত উপাচার্যের আশ্বাস পাওয়া ব্যতীত সাত কলেজের শিক্ষার মান ঢাবির মানের সাথে সমন্বয়ে ঢাবির কোনো কার্যকরী প্রয়াস এখনো দৃশ্যমান হয়নি।

উপরন্তু, সাত কলেজের বিভিন্ন বর্ষের পরিক্ষার প্রশ্ন পত্র, মানবণ্টন, পরীক্ষার নির্ধারিত সময়, ও ফলাফল প্রকাশের ব্যপ্তিকাল সব কিছু মিলিয়ে শুরু থেকেই এক চরম বৈষম্য অবস্থা বিরাজ করছে। হঠাৎ করে রুটিন প্রকাশ, প্রশ্নপত্র প্রণয়নে সমন্বয়হীনতা, ফলাফল বিপর্যয় সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তিতে ফেলছে। পরীক্ষার প্রশ্ন কাঠামো ও মানবণ্টন সম্পর্কে দেওয়া হয়না  কোনো পূর্বাভাস । ভাল পরীক্ষা দেওয়া সত্ত্বেও গনহারে ফেইল করার রেকর্ডও আছে।

তাছাড়া, সাত কলেজে ভর্তির সময় শিক্ষার্থীদের থেকে রোভার স্কাউট ফী, বিএনসিসি ফী, খেলাধুলা-সংস্কৃতি ফী কেটে নেওয়া হলেও উক্ত সুবিধাসমূহ দিচ্ছে না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এদিকটা দেখলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাত কলেজকে শুধু অর্থের উৎস হিসেবে দেখছে। এমন শোষন থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে কিভাবে?

প্রশ্নবিদ্ধ সনদঃ

একটি বিশ্ববিদ্যালয় কত প্রকারের সনদ উৎপাদন করতে পারে তা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে তাকালেই বুঝতে পারা যাবে। বিভাগ, অধিভুক্ত ও ইন্সটিটিউট ভেদে সনদের পার্থক্য থাকতে পারে। এক্ষেত্রে বিভাগের সনদে উল্লেখিত হলের জায়গায় ইন্সটিটিউট বা অধিভূক্ত কলেজের নাম থাকবে এটা স্বাভাবিক। কিন্তু ঢাবি অধিভুক্ত কলেজসমূহের নাম উল্লেখ সত্ত্বেও বন্ধনীযুক্ত Affiliated শব্দ যোগ করেছে যা অন্যসব ফন্টের সাথে মিল না রেখে সম্পূর্ণ নর্মাল ফন্ট ব্যবহার করেছে। এমন সনদ শুধু দৃষ্টিকটূই নয় বরং আন্তর্জাতিক মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দীর্ঘ চার বছর কঠোর পরিশ্রমের ফসল হিসেবে এমন নিম্নমানের ও প্রশ্নবিদ্ধ সনদ নিয়ে ঘরে ফেরার চেয়ে আমরা কি বিকল্প কিছু ভাবতে পারিনা?

সাত কলেজের দূর্বল ব্যবস্থাপনাঃ

আজ থেকে ৫ বছর আগে অর্থাৎ ২০১৭ সালে অধিভুক্ত করা হলেও এর প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল ২০১৪ সাল থেকে। এত দীর্ঘ সময় পেয়েও সাত কলেজের সার্বিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে ব্যর্থ ঢাবি প্রশাসন। সাত কলেজের জন্য আলাদা প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ ও পরিচালনার জন্য জনবল নিয়োগের কথা থাকলেও তা আজও বাস্তবায়িত করতে পারেনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

এছাড়াও, সাত কলেজের আসন সংখ্যা বিপুল। শিক্ষার মান যথাযথ রাখতে আসন সংখ্যা কমানো অত্যাবশ্যক। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তা না করে সক্ষমতার চেয়েও বেশি শিক্ষার্থী নিচ্ছে। এতে বিভিন্ন কলেজের বিভাগভিত্তিক শিক্ষক সংকট ও ক্লাসরুম সংকট শিক্ষার্থীদের নানামুখী সংকটে ফেলে দিচ্ছে। কিন্তু ঢাবির কোনো উন্নয়নমুখী পদক্ষেপই দেখা যাচ্ছেনা। আসন সংখ্যা না কমানোর বিষয়টিও ঢাবির আর্থিক লালসার বহিঃপ্রকাশ।

ঢাবির ডিন অফিসের কর্মচারীদের দুর্ব্যবহারঃ

ফলাফল সমন্বয় ও বিভিন্ন কাজের জন্য সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের যেতে হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন অফিসে। সেখানকার কর্তব্যরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সাথে দুর্ব্যবহারের ও হয়রানির  অভিযোগও আছে। অনেক সময় হেল্প লাইনে ফোন করেও পর্যাপ্ত সাড়া মিলেনা। 

সাত কলেজের ভার

২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ সমাবর্তনের সময় প্রকাশিত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ৪৩ হাজার ৩৯৬জন। অপরদিকে, ইডেন ও তিতুমীর কলেজের সর্বমোট শিক্ষার্থী যথাক্রমে ৩৫ হাজার ও ৬০ হাজার। তাহলে দেখা যাচ্ছে একেকটি কলেজের ভার স্বয়ং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমান অথবা বেশি। ঢাবি পরিচালনায় যে পরিমান জনবল যুক্ত আছে তা ঢাবির জন্যই যথেষ্ঠ। কিন্তু সমপরিমান জনবল দিয়ে ঢাবির চেয়ে বেশি অথবা সমান ভারের প্রতিষ্ঠান চালানোর দুঃসাহস করেছে ঢাবি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় যা শিক্ষার্থীদের জীবন অনিশ্চয়তায় ফেলে দিয়েছে।

এবং বিভিন্ন কলেজে বিসিএস ক্যাডারদের দায়িত্বশীলতার অভাব। 

সার্বিকভাবে বিবেচনা করলে সাত কলেজের জন্য আলাদা প্রশাসন অতীব জরুরি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমরা ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরাও মুক্তি চায়, একইভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ও সাত কলেজ নামক বোঝা থেকে মুক্তি পাক।

স্বতন্ত্র প্রশাসন- বাংলা বিশ্ববিদ্যালয়
(University Of Bangla)ঃ

বাংলাদেশের ইতিহাসের ঝুলিতে একটি আত্মত্যাগের ইতিহাস আছে, মাতৃভাষা আন্দোলন-১৯৫২।  যে আন্দোলন কয়েকজন বাংলাভাষীর জীবন কেড়ে নেয়। যে আন্দোলন বাংলা ভাষীদের স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে উজ্জীবিত করে। সেই 

বাংলা ভাষা আন্দোলন, 

বাংলাভাষীর জীবন ত্যাগ

বাংলাভাষীদের স্বাধীন ভূখন্ড অর্জন এ সকল ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের সম্মানের প্রতিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে বাংলা বিশ্ববিদ্যালয়।

বাঙালিদের বাংলাদেশে বাংলা বিশ্ববিদ্যালয় অতীব প্রয়োজন। বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী, গুণী ব্যক্তিদের বাংলা বিশ্ববিদ্যালয় আন্দোলনে সমর্থন থাকবে আশা করি।

সরকার জেলায় জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা শুরু করেছে। অথচ একটি রাঙামাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে ঢাকায় সাত কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় এ রূপান্তর করা বেশি উপযুক্ত। সরকার সাত কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় না বানিয়ে অপেক্ষাকৃত বড় ক্যাম্পাসগুলো (ঢাকা, ইডেন, তিতুমীর) নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় গড়তে পারে

সময় এসেছে ঐতিহ্যবাহী সাত কলেজের পূর্ণাঙ্গ মান প্রতিষ্ঠার দাবি তুলার। আশার কথা হচ্ছে, এই সাতটি কলেজ ঢাকা সাতটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবস্থিত। এই সাতটি পয়েন্ট ১ ঘন্টার জন্য অবরোধ করলে সরকারের টনক নড়বে। এখন প্রয়োজন সাত  কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘবদ্ধ আন্দোলন মানসিকতা। 

অনেকেই হয়ত এই বিষয়টি হেসেই উড়িয়ে দেবেন। সত্যিকারার্থে,সাত কলেজের জন্য স্বতন্ত্র প্রশাসন  (বাংলা বিশ্বদ্যালয়) অতীব জরুরী। 

আমাদের এই দাবি পরিমার্জিত করে হলেও সাত কলেজের স্বতন্ত্র প্রশাসন (বাংলা বিশ্ববিদ্যালয়) চাই

কপিরাইটঃ 7collegeblog.blogspot.con

বাংলা বিশ্ববিদ্যালয় ফেইজবুক গ্রুপে যোগ দিন

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন